সোমবার ১৯ আগস্ট, ২০১৯

দম ফেলার ফুরসত নেই শহরের দর্জিদের

শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ২১:৪৫

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: সেলাই মেশিনের শব্দে কান ধরে আসার উপক্রম। এক মুহূর্তের জন্য বিশ্রাম নেই। ঈদ-উল-ফিতরের আর মাত্র কিছুদিন বাকি। এর আগেই গ্রাহকের পছন্দের পোশাকটি তুলে দিতে হবে তাদের হাতে। তাই বিশ্রামকে উপেক্ষা করে নগরীর দর্জির দোকানগুলোতে চলছে ঈদ পোশাক তৈরির কাজ। বাহারী ডিজাইন, রঙ, লেইস ও এমব্রয়ডারি দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে ঈদ পোশাক।

শনিবার (২৫ মে) সকালে কালিরবাজর ফ্রেন্ডস মার্কেট, ডিআইটি সোনার বাংলা মার্কেট ও আশেপাশের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দখো যায় এমন দৃশ্য। নিঃশ্বাস ফেলার সময় নেই দর্জিদের। ঈদের ১১ দিন বাকি থাকতেও কমেনি গ্রাহকদের আনা গোনা।

কয়েকজন দর্জির সাথে কথা বলে জানা যায়, এ বছর গ্রীষ্মে ঈদ হওয়াতে ক্রেতাদের মধ্যে বেড়েছে সুতি পোশাকের কদর। সুতি পোশাকে এমব্রয়ডারি ও বাহারি লেইসের ব্যবহার ছিল লক্ষণীয়। কটনের পাশাপাশি রয়েছে লিনেন, সিল্ক, জর্জেট, নেটসহ অন্যান্য কাপড়। তবে কাপড় কিনে বানানোর তুলনায় তৈরি পোশাকে বেশি আগ্রহী ক্রেতারা। তাই রাউন্ড ফ্লোর টাচ ও থ্রি-পিস পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

‘সাত রঙ’ এ্যাব্রয়ডারির কর্মচারী মো. হোসেন বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে এখন অনেক কাজ। দম ফেলার সময় নেই। সবাই পাঞ্জাবী ও থ্রি-পিস। পাঞ্জাবীর কাজের উপর টাকার পরিমাণ। এখানে ২শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা পর্যন্ত কাজ করা হয়।’

হ্যাপী লেডিস টেইলারের প্রধান দর্জি বলেন, ‘শেষ সময়ের অর্ডারগুলোই এখন নেয়া হচ্ছে। আর ২-৩ দিন পর আর কোনো অর্ডার নেয়া হবে না। এবার ফ্লোর টাচ ও থ্রি-পিসের অর্ডার সবচেয়ে বেশি।’

তিনি আরো বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে কাজ বেশি তবে মজুরি কম। আগে যে পোশাকের মজুরি ছিল ৪শ’, ৫শ’ এখন সেই পোশাকের মজুরী ৩শ’ টাকা। এ বছর থ্রি-পিসের মজুরি ৩শ’ থেকে ৮শ’ টাকা এবং অন্যান্য ভারি পোশাকের মজুরি ৪শ’ থেকে ১ হাজার ২শ’ টাকা।’

রিমা লেডিস টেইলারের কর্মচারী সিরাজুল মিয়া বলেন, ‘আগে সবাই পোশাক নিয়ে আমাদের কাছে আসতো আর এখন বাড়ির পাশের কোনো দর্জির কাছে দিয়ে দেয়। যেখানে কাজ খারাপ থাকলেও মজুরি কম। তাই আমাদের গ্রাহক ধীরে ধীরে কমতে থাকে। তাই বাধ্য হয়ে পোশাক তৈরীর মজুরি কমাতে হয়েছে।’

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ