সোমবার ২৭ মে, ২০১৯

তপ্ত গরমের দিনে শহরে তালের শাঁস

রবিবার, ১২ মে ২০১৯, ১৮:৩৩

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: গ্রীষ্মের দহনে দগ্ধ নগরবাসী। রমজান মাসে এই অস্বস্তিকর দাবদাহে অতিষ্ঠ করে তুলেছে নগর জীবন। একই সঙ্গে গ্রীষ্ম তার ডালা সাজাতে শুরু করেছে নানান স্বাদের ফলসম্ভারে। বাজারে, পাড়া-মহল্লায়, ফলের দোকানগুলোর ঝুড়ির ভেতর থেকে উঁকি দিতে শুরু করেছে লাল লিচুর গুচ্ছ, লাল-হলুদ কাচা-পাকা আম। এছাড়াও ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে কচি রসাল তালের শাঁস।

গ্রীষ্মের অন্যান্য ফলের মতো তালের শাঁস তরতাজা রাখার জন্য কোনো রাসায়নিকের ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। ফলে এই গরমে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য ভেজালমুক্ত তালের শাঁসের কদর বেশি। ইফতারের উপকরণ হিসেবেও বেড়েছে তালের শাঁসের জনপ্রিয়তা। সেক্ষেত্রে অধিক মূল্য দিতেও দ্বিধাবোধ করছেন না ক্রেতারা।

রোববার (১২ মে) দুপুরে নগরীর মার্ক টাওয়ারের সামনে দেখা যায়, একটি ভ্যানের ওপর তীক্ষèধার দা’য়ের আঘাতে শক্ত খোলস থেকে সরস তালশাঁস বের করে আনছেন বিক্রেতা মুকবুল হোসেন। ভ্যানগাড়িটিকে ঘিরে রেখেছে কিছু উৎসুক ক্রেতা। একটা তালে সাধারণত তিনটি করে শাঁস থাকে। প্রতিটি শাঁস বিক্রি করছেন ১৫ টাকা করে। আর গোটা একটা তালের দাম রাখছেন ৪০ টাকা। বিক্রেতা মুকবুল হোসেন জানান, প্রতিদিন একই স্থানে বসে তালেরশাঁস বিক্রি করে সে। আজ সকালে ১০০ তাল নিয়ে এসেছিলেন শহরে। দুপুর গড়াতেই তার বিক্রি হয়েগেছে অর্ধেকেরও বেশি তাল।

মুকবুল হোসেন বলেন, ‘মৌসুমের প্রথম তাই শাঁস কেনার জন্য সবাই ভিড় করছে। মৌসুমের প্রথম ফল তাই দাম একটু বেশি।’

নগরীর বাজারগুলোতে লাল লিচুর উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়। তবে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে নেই লিচুর দাম। একই অবস্থা আমের দামে। তার উপর ফলের গুণগত মানের তারতম্য অনুযায়ী রয়েছে মূল্য ভিন্নতা। নগরীর ২নং রেলগেট সংলগ্ন ফলের বাজারের শেষ তথ্যানুযায়ী, ১শ’ বড় লিচু ৫০০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা এবং ১শ ছোট লিচু ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। অন্যদিকে আমের ভিন্নতা অনুযায়ী কেজি প্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, দেশের অধিকাংশ জেলাগুলো থেকে আম, লিচু আসা এখনো তেমনভাবে শুরু হয়নি। আগামী মাস থেকে আমদানী বাড়বে আর আমদানী বাড়লে দাম কমতে শুরু করবে।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ