বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই, ২০২০

টানা বর্ষণে ডুবলো নারায়ণগঞ্জ (ভিডিওসহ)

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০, ২০:২৩

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: টানা কয়েক ঘন্টার ভারী বর্ষণে ডুবে গেছে নগরীর একাধিক এলাকা। ভারী বর্ষণে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বঙ্গবন্ধু সড়কসহ কয়েকটি সড়কে হাটুসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। যার ফলে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে নগরীর জিমখানা, ২নং রেলগেইট, ব্যাংকের মোড়, মেট্রো হল ও চাষাড়া হাটুসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। শুধু সড়কেই নয় পানিতে তলিয়ে গেছে সড়কের পাশে থাকা বিভিন্ন দোকান ও পায়ে চলা ফুটপাতও। যার ফলে ভোগান্তিতে পড়ছে পথচারীরা ও যাত্রীরা। উপায় না দেখে হাটুসমান পানি এড়াতে স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরা তাদের গন্তব্যে পৌছতে ব্যবহার করছেন রিকশা। যার ফলে সুযোগের সদব্যবহার করে ভাড়া বেশি নিচ্ছেন রিকশাচালকরা।

শান্তা হক নামের এক যাত্রী অভিযোগ করে জানান, রিকশা করে চাষাড়া থেকে ২নং রেলগেইট পর্যন্ত যেখানে ভাড়া ২০ টাকা। সেখানে এখন ৪০ টাকা দিয়ে আসা লাগলো। বৃষ্টিতে এমনিতেই রিকশা পওয়া যায় না। তাই বাধ্য হয়ে ৪০ টাকা দিয়ে চলে আসতে হলো।

নূর মসজিদ সংলগ্ন আফজাল এন্টারপ্রাইজের মালিক আফজাল জানান, বৃষ্টির কারণে আমার দোকানে পানি উঠে গিয়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও নেই কেননা দোকানের সামনে হাটু সমান পানি। দোকানে কাস্টমাররা বসতেও পারছেন না। দোকানে কেউ ডুকতেও পারছেন না। টানা কয়েক ঘন্টার বৃষ্টি হলেই সব সময় দোকান পানিতে ডুবে যায়।

গলাচিপা এলাকার বাসিন্দা পথচারী তন্ময় দাস বলেন, রাস্তার ফুটপাতেও পানি উঠে যাওয়ায় চাষাড়া থেকে হেটে বাসায় যেতে পারছি না। রিকশাও পাচ্ছি না। যাও পাচ্ছি চাষাড়া থেকে গলাচিপা ভাড়া চাচ্ছে ৩০ টাকা!

এদিকে টানা বর্ষণে ডুবেছে ডিএনডি খালের আওতাধীন ফতুল্লার ইসদাইর বুড়ির দোকান, পশ্চিম ইসদাইর, গাবতলী, টাগার পাড় ও লালপুরসহ কয়েকটি এলাকা। লালপুর এলাকার বাসিন্দা মো. তারেক বলেন, বৃষ্টির দিন আসলেই আমাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। অল্প বৃষ্টি হলেই পানিবন্দি হয়ে পড়ি আমরা। পানিবন্দি এই জীবন থেকে মুক্তি চাই।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ