মঙ্গলবার ১৮ জুন, ২০১৯

ছুটি শেষে গ্রাম ছেড়ে কর্মস্থলে ফেরার পালা শেষ হয়নি

সোমবার, ১০ জুন ২০১৯, ২১:৩৪

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ঈদের চাঁদ নিয়ে ভিন্ন মতবাদের কারণে ঈদের আমেজ খানিকটা ক্ষুন্ন হলেও নাড়ির টানে নিজ গ্রামে ঈদ কাটিয়েছে মানুষ। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেছে ঈদ। শেষ হয়েছে ছুটি। এবার সময় কর্মস্থলে ফেরার পালা। সরকারি চাকুরিজীবিসহ অন্যরা শনিবার থেকে কর্মস্থলে ফেরা শুরু করলেও এখনো ফিরছেন অনেকে।

পবিত্র ঈদ উল ফিতরের পাঁচদিন পার হয়ে গেলেও শেষ হয়নি শহরমুখী মানুষের ভিড়। সোমবার (১০ জুন) নগরীর লঞ্চ টার্মিনাল, বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশনে দেখা যায়, শহরমুখী মানুষের ভিড়। ব্যাগ হাতে, পরিবারের সদস্যদের হাত ধরে কর্মস্থল, সেই চেনা শহরে ফিরছেন ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়া মানুষগুলো।

বিকেলে সেন্ট্রাল টার্মিনাল ঘাটে দেখা যায়, একের পর এক লঞ্চ ঘাটে এসে থামছে ঘাটে। ব্যস্ততার ভঙ্গিতে নেমে আসছেন যাত্রীরা। হাতে, কাধে বড় বড় ব্যাগ, স্যুটকেস, কোলে শিশু। সাবধানে সকলকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে লঞ্চ থেকে নামছেন যাত্রীরা।

মোহনপুর থেকে আসা লঞ্চ থেকে নেমে আসের যাত্রী মো. রিয়াদ হোসাইন বলেন, ‘ঈদ উদযাপনের জন্য গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। ছুটি শেষ ফিরে আসেছি। গ্রামে যাবো বলে একটু বেশি ছুটি নিয়েছিলাম তাই দেরি করেই এলাম।’

চাষাড়ায় বাস থেকে নেমে রিকশার জন্য অপেক্ষা করছিলেন সীমু আক্তার। ঈদের ছুটিতে মা ও ছোট বোনের সঙ্গে খালাবাড়ি রূপগঞ্জ গিয়েছিলেন তারা। সীমু বলেন, ‘আমার ভার্সিটি বন্ধ, ছোট বোনের স্কুল বন্ধ তাই ঘুরে এলাম। আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলতে এখনো অনেক দেরি। তাই একটু সময় নিয়েই ঘুরে এলাম।’

চাষাড়া রেল স্টেশনেও দেখা যায় একই দৃশ্য। সন্ধ্যার ৭টার ট্রেনে ছিল বেশ ভিড়। যার অধিকাংশই বিভিন্ন দূরবর্তী এলাকার মানুষ। কমলাপুর স্টেশন থেকে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন গার্মেন্টস কর্মী নাহিদা আক্তার। নাহিদা আক্তার বলেন, ‘খুলনা নিজ গ্রামে গিয়েছিলাম। বছরের অন্যান্য সময় যাওয়া হয় না। তাই পরিবারের সবাইকে নিয়ে গেলাম, সবার সঙ্গে ঘুরে এলাম। বারবার তো আর যাওয়া হয়না তাই ছুটি শেষ হওয়ার পরও দুদিন গিয়েছিলাম। এখন ফিরলাম।’

চাষাড়া রেলস্টেশনের সহকারি স্টেশন মাস্টার আমিনা আক্তার বলেন, ‘ট্রেনে ভিড় এখনো অনেক। যাত্রীর সংখ্যা তুলনামূলক ভালোই আছে। যাদের অধিকাংশ দূরপাল্লার মানুষ। আশা করি, দু-একদিনের মধ্যে ভিড় কমবে।’

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ