শনিবার ২৫ মে, ২০১৯

বক্তাবলী গনহত্যা দিবস

ছিলেন না গুরুত্বপূর্ণ কেউ

বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭, ২২:৫৭

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ১৯৭১ সালের ২৯ শে নভেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় ১৩৯ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী। স্থানীয় জনসাধারন ও শহীদ পরিবারের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বক্তাবলী গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন, সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষে কেউ আসেনি বক্তাবলীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে।
তাঁদের এই নীরবতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহীদ পরিবারের সদস্যসহ বক্তাবলী বাসী।
এলাকাবাসী জানান, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিনে রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে কেউ না আসাটা তাদের কাছে বিস্ময়কর ঠেকেছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বক্তাবলী গণহত্যা দিবসে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হলেও আসেননি জেলা প্রশাসন, সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বা আওয়ামীলীগ ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
সকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে বধ্যভূমি ও স্মৃতিস্তম্ভতে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলীর নেতৃত্বে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ হতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় আওয়ামীলীগ, স্থানীয় বিএনপিসহ এলাকার বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকালে বক্তাবলীর লক্ষ্মীনগরে বধ্যভূমি ও কানাইনগর স্মৃতিস্তম্ভতে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সব খবর
ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ বিভাগের সর্বশেষ