বুধবার ২৩ অক্টোবর, ২০১৯

চলচ্চিত্র উৎসবের মধ্য দিয়ে ‘নারায়ণগঞ্জ সিনেস্কোপ’র যাত্রা শুরু

শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:৩৮

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জবাসীর কাক্সিক্ষত ‘বাংলাদেশি চলচ্চিত্র উৎসব ও সিনেস্কোপ নারায়ণগঞ্জের’ উদ্বোধন করা হয়েছে। সপ্তাহব্যাপী এই বাংলাদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে ১৪টি বাংলাদেশি সিনেমা প্রদর্শিত হবে।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে প্রথম টিকেট বিক্রির মধ্য দিয়ে উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

‘সিনেস্কোপ’র পরিচালক, স্থপিত ও চলচ্চিত্র পরিচালক মো. নুরুজ্জামানের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এহতেশামূল হক, সূর্য দীঘল বাড়ী চলচ্চিত্রের যুগ্ম পরিচালক মসিহউদ্দিন শাকের, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ভবানি শংকর রায়, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জ্বল, শিল্পী নাসির আহমেদ, শিল্পী অমল আকাশ প্রমুখ।

পরিচালক নুরুজ্জামান ডালিম বলেন, ‘আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীকে সিনেমা হলমুখী করার জন্যই সিনেকপ্লেক্সেটি তৈরি করতে চেয়েছিলাম। আমাদের নতুন প্রজন্ম জানে না একদল বন্ধুদের সঙ্গে সিনেমা দেখার আনন্দ। আমরা বাণিজ্যিকভাবে এই সিনেপ্লেক্স তৈরি করতে চাইনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সব রকম দর্শক আকর্ষণ করতে চাই। তাই প্রতিদিন ৪টি শো রেখেছি যার প্রতিটি সিনেমা ভিন্ন ক্যাটাগরির। শিশুদের জন্য শিশুতোষ চলচ্চিত্র, আর্টফিল্ম, পপুলার বা জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও ক্ল্যাসিক সিনেমা। এছাড়া বিভিন্ন সময় চলচ্চিত্র উৎসবের পরিবকল্পনাও আমাদের রয়েছে।’

মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, ‘ডালিম যখন আমাকে সিনেপ্লেক্স বানানোর কথা জানান তখন আমি চোখ বন্ধ করে জিজ্ঞেস করেছিলাম কত তাড়াতাড়ি করতে পারবে। সে ৬ মাস সময় নিয়েছিল। সিনেমা দেখার সেই যে স্মৃতি, সেই যে আনন্দ। বন্ধুদের সঙ্গে এক সাথে সিনেমা দেখা, পরিবার নিয়ে যাওয়া। এই সব কিছু মিস করছে নতুন প্রজন্ম।

রফিউর রাব্বি বলেন, ‘চলচ্চিত্র একটি প্রযুক্তি নির্ভর শিল্প। প্রায় সোয়াশ’ বছর ধরে এটি চলছে। প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে আমাদের চলচ্চিত্র বদলে যাচ্ছে। কিন্তু এই বদল পরিবর্তনের মধ্যেও চলচ্চিত্র সে সময়ে নির্মিত হচ্ছে সেই সময়কে ধারণ করে রাখছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র যখন দেখি সেই সময়ের, অবস্থান বুঝতে পারি। ৩০-৪০ দশকের চলচ্চিত্র যখন দেখি আমরা সেই সময়ের সমাজ ব্যবস্থা ও অবস্থায় জানতে পারি। আসলে চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়েই আমরা আমাদের সমাজের কথা বলতে চাই, সমাজে বিরাজমান অন্যায়, অব্যবস্থা, অন্ধকার তুলে ধরতে চাই। আর তাই দেশে দেশে চলচ্চিত্র আন্দোলন গড়ে উঠেছে, উঠছে। নারায়ণগঞ্জেও এ আন্দোলন বেগবান ছিল যা এখন নেই। আজ চলচ্চিত্র ঢাকার কয়েকটি সিনেকপ্লেক্সের মধ্যে সীমাবদ্ধ।’

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ