বুধবার ২৩ অক্টোবর, ২০১৯

কাল খুশির ঈদ

শুক্রবার, ১৫ জুন ২০১৮, ২০:৩৫

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ঈদ মোবারক। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল শনিবার মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদ উল ফিতর। সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস এ তথ্য জানিয়েছে।

আজ পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার মাধ্যমে সংযমের মাস রমজানের ইতি ঘটলো। শুক্রবার সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলো পবিত্র ঈদ পালন করেছে। তাই অনেকটা নিশ্চিত ছিল যে, শনিবার বাংলাদেশসহ ভারত, পাকিস্তানে ঈদ পালিত হবে। এর মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়াতে শনিবার যে ঈদ সেটা নিশ্চিত।

‘রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ ধ্বনি চারদিক থেকে শোনা যাচ্ছে। এরই মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়ে গেছে। সবাই একে অপরকে সরাসরি কিংবা মুঠোফোনের মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একে অপরের শুভাকাঙ্খিদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছে।

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, চাঁদ দেখে রোজা পালন করবে এবং চাঁদ দেখে ঈদ উদযাপন করবে। তিনি বলেছেন, চন্দ্র মাস ২৯ দিনেও হয় আবার ৩০ দিনেও হয়। যদি আকাশে মেঘ থাকায় চাঁদ দেখা না যায় তবে ৩০ দিনের গণনা পূর্ণ করবে। এবার ২৯ রোজাতেই শাওযাল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। তাই একদিন আগেই এবার হচ্ছে ঈদ।

কালকের দিনটিই শুরু হবে ঈদের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে। বিভিন্ন ঈদগাহে আজকের মধ্যেই সে জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রস্তুত নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহসহ অন্যান্য ঈদগাহ। এবার বর্ষাকালে হচ্ছে ঈদ। তাই বৃষ্টি বা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সেখানে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দাঁড় হতে পারে। সে জন্য অবশ্য বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে মসজিদেও নামাজ আদায় করার ব্যবস্থা রয়েছে।

নামাজের পরপরই ঈদগাহগুলোতে চিরচেনা এবং কাঙ্খিত দৃশ্যের অবতারণা হবে। প্রত্যেক মুসলমান একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন। শ্রেণি-বর্ণ-বয়স নির্বিশেষে হবে সেই আলিঙ্গন। ভ্রাতৃত্বের বন্ধনের এ এক মধুর বহিঃপ্রকাশ।

এ ঈদের একটি বড় অনুষঙ্গ নতুন পোশাক। মাসজুড়ে বা অনেকে এর আগে থেকেই এর প্রস্তুতি শুরু করেন। এ বছর নগরীর বিপনী বিতানগুলোতে প্রতিবারের মতোই ভিড় দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ অবশ্য মন্দাভাবের কথা বলেছেন। এরপরও কেনাকাটার যে কমতি ছিল না, শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার তীব্র জট বা বিপণি বিতানের কষ্ট-দেওয়া ভিড় তার প্রমাণ। নতুন কেনা পোশাক-জুতা বা অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে শিশুদের আনন্দই বেশি। বড়রাও কম যান না। পোশাকগুলো ইতিমধ্যেই হয়তো দেরাজ খুলে অনেকবারই দেখা হয়ে গেছে। কাল হবে ভাঁজ ভাঙা।

সব খবর
ধর্ম ও নৈতিকতা বিভাগের সর্বশেষ