বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

কারা পাচ্ছেন সিটি কর্পোরেশন এলাকায় গরুর হাটের ইজারা?

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ২০:২৯

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: এ বছর ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ১৪টি স্থানে অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা দিচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক)। প্রথম দফায় অস্থায়ী হাটগুলো ইজারার আবেদনপত্র গ্রহণ ও পর্যালোচনা সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে এখনো আবেদনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। এদিকে প্রথম দফায় ১৪টি অস্থায়ী হাটের মধ্যে ২টি হাটের জন্য কোনো আবেদন গ্রহণ করেনি নাসিক।

বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১টা পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। বেলা আড়াইটায় নগরভবণ সম্মেলন কক্ষে আবেদনগুলো পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ১৪টি হাটের মধ্যে ১২টি হাটের জন্য আবেদন গৃহীত হয়। তবে তা প্রকাশ করেনি সিটি কর্পোরেশন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর সম্মতিক্রমে কারা ইজারা পাচ্ছেন তা জানানো হবে বলে জানিয়েছে সিটি কর্পোরেশন।

নাসিক ২০নং ওয়ার্ডের সোনাকান্দা অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য কোনো আবেদন না থাকায় এবং ২৫নং ওয়ার্ড চৌরাপাড়া অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য আবেদনকারীদের ভ্যাট আইডি ঠিক না থাকায় কারো আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। এ দুটি হাটের জন্য ৩১ জুলাই ২য় ধাপে আবেদন সংগ্রহ করা হবে বলে জানিয়েছে নাসিক।

আবেদন যাচাই-বাছাই পর্বে উপস্থিত ছিলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম এহতেশামূল হক, নাসিক ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর শারমিন হাবিব বিন্নী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম, প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. হেমায়েত হোসেন প্রমুখ।

যাচাই-বাছাই পর্ব অনুযায়ী, ১নং ওয়ার্ডের রনি সিটির খালি জায়গার জন্য আবেদন করেন ২ জন প্রার্থী। এ মাঠে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা প্রস্তাবনা করেছেন মহব্বত সৈকত।

৩নং ওয়ার্ডে ২টি হাট রয়েছে। মাদানি নগর ব্রিজ সংলগ্ন বালুর মাঠ ও সানার পাড় সিথি গার্মেন্টস সংলগ্ন মৌলভী ফজলুর রহমানের খালি জায়গা। এই হাট দুটির জন্য আবেদন করেন ৫ জন প্রার্থী। মাদানি নগর ব্রিজ বালুর মাঠে জন্য সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা অর্থ প্রস্তাবনা করেছেন মো. শাজাহান । এবং সানার পাড় মাঠের জন্য সর্বোচ্চ ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা অর্থ প্রস্তাবনা করেছেন মো. সেলিম।

৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক আর এম ওয়েল মিল্স এর মাঠের জন্য আবেদন করেন ৪ জন প্রার্থী। এ মাঠের জন্য সর্বোচ্চ অর্থ প্রস্তাবনা করেছেন ২ লাখ ১৩ হাজার টাকা সিরাজুল হক।

৭ নং ওয়ার্ডের নাভানা সিটির খালি মাঠের জন্য আবেদন করেন ৩ জন প্রার্থী। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৫ হাজার হাজার টাকা অর্থ প্রস্তাবনা করেছেন জিএম সবুর।

৮ নং ওয়ার্ডের গোদনাইল ইব্রাহিম টেক্সটাইল মিলস মাঠের জন্য আবেদন করেন ৩ জন প্রার্থী। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ২১ লাখ ৫ হাজার টাকা অর্থ প্রস্তাবনা করেছেন হাজ্বী মো. শাহ আলম।

১০ নং ওয়ার্ডে লক্ষীনারায়ণ মিলস সংলগ্ন সিটি কর্পোরেশনের খালি জায়গার জন্য আবেদন করেছেন ৩ জন প্রার্থী। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা অর্থ প্রস্তাবনা করেছেন আব্দুল লতিফ।

১৮নং ওয়ার্ড (জিএমসি) আব্দুল হাই সাহেবের খালি জায়গার জন্য আবেদন করেছেন ৩ জন প্রার্থী। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৫৩ লাখ ৫০ হাজার ৫শ টাকা অর্থ প্রস্তাবনা করেছেন জিয়া উদ্দিন মৃধা।

২৩ নং ওয়ার্ডের কদমরসূল পূর্বপাড়া হাজী কমর উদ্দির রোড সংলগ্ন খালি জায়গা জন্য আবেদন করেছেন ৩ জন প্রার্থী। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা অর্থ প্রস্তাবনা করেছেন মো. সফিকুল।

২৪ নং ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ বাজার সংলগ্ন অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য আবেদন করেছেন একমাত্র প্রার্থী মো. সফিউল্লাহ। তিনি সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা প্রস্তাবনা করেছেন।

২৫ নং ওয়ার্ডে ২টি হাট করা হচ্ছে। চৌরাপাড়া অস্থায়ী পশুর হাট ও লক্ষণখোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন অস্থায়ী পশুর হাট। দুটি হাতের জন্য আবেদন করেছেন ৫ জন প্রার্থী। চৌরাপাড়া অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য আবেদনকারীদের ভ্যাট আইডি ঠিক না থাকায় কারো আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। এবং লক্ষণখোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য সর্বোচ্চ ১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা অর্থ প্রস্তাবনা করেছেন মো. আলামিন মোল্লা।

২৭ নং ওয়ার্ডের ফুলহর আনোয়ার সাহেবের বালুর হাটের জন্য আবেদন করেছেন ৪ জন প্রার্থী। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা অর্থ প্রস্তাবনা করেছেন মো. ওয়াহেদুল।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ