রবিবার ১৮ আগস্ট, ২০১৯

ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে না.গঞ্জে বেড়েছে মসলার দাম

মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮, ২১:৩৫

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: আগামী ২২ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আযহা। এই ঈদে মুসুলমানরা আল্লার সন্তুষ্টি লাভের জন্য পশু কোরবানি করে থাকে। তবে কোরবানী দেয়া হোক আর নাই হোক, কোরবানির ঈদ মানেই ঘরে ঘরে গরু কিংবা খাসির মাংস। আর এই মাংস রান্নার জন্য প্রয়োজন হরেক রকমের মসলা। আর প্রতিবছর ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে বাড়ে মাংস রান্নায় ব্যবহৃত মশালার দাম। বছরের এ সময় মশলার চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি তাই সুযোগের সঠিক ব্যবহার করেন মসলার ব্যবসায়ীরা। অধিক মুনাফার জন্য কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাড়িয়ে দেয় মাংস রান্নায় ব্যবহৃত বিভিন্ন মশলার দাম। তার ব্যতিক্রম হয়নি এবছরও নারায়ণগঞ্জে। মসলার দাম ইতিমধ্যে হয়ে গেছে আকাশচুম্বী। তবে সবচেয়ে বেড়েছে জিরা ও এলাচির দাম। নারায়ণগঞ্জে এক সপ্তাহের ব্যবধামে এলাচের দাম বেড়েছে এক থেকে দেড়শ টাকা ও জিরার দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা।

মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে নগরীর প্রধান বাজার দিগুবাবুর বাজার ঘুরে দেখা গেল, মশলা বিক্রেতাদের দোকান পুরোপুরি ফাকা। বিক্রেতারা পসরা সাজিয়ে বসে আছেন কিন্তু কোনো ক্রেতা নেই। বিক্রেতারা বলেন, অন্যান্য বছর এদিনে দোকানে ভিড় থাকে কিন্তু এ বছর কোনো ক্রেতা নেই। তবে তারা আশাবাদী শুক্রবার থেকে পরিস্থিতি পরিবর্তন হবে, ক্রেতাও বাড়বে।

উল্লেখ্য, অধিকাংশ মশলা বাংলাদেশে উৎপাদন করা হয় না। ব্যবহৃত মশলার পুরোটাই আসে বিভিন্ন দেশ থেকে। ওই সকল দেশ থেকে মশলা আমদানি করা হয় এক থেকে দেড় মাস আগে। সে অনুযায়ী বলা যায়, মশলার দাম সপ্তাহ খানেকের মধ্য উঠানামা করে না। কিন্তু ঈদের সময় বাজারগুলোতে সপ্তাহের ব্যবধানেই দাম উঠানামা করে।

দিগুবাবুর বাজারের শেষ তথ্যমতে, দারুচিনি ২৮০ টাকা কেজি, লবঙ্গ ১০০০ টাকা কেজি, এলাচ ১৪৫০ থেকে বেড়ে ১৬০০ টাকা কেজি, ইন্ডিয়ান জিরা কেজি প্রতি ২০ টাকা বেড়ে ৩৬০ টাকা, গোলমরিচ ৬০০ টাকা কেজি, চায়না আদা ৮০ টাকা কেজি, দেশি আদা ৭০ টাকা কেজি, চায়না রসুন ৬০টাকা কেজি, দেশি রসুন ৪০ টাকা কেজি, দেশি পেয়াজ ৫০ টাকা কেজি এবং ইন্ডিয়ান পেয়াজ ৩৪ থেকে ৩৫ টাকা কেজি।

দিগুবাবুর বাজারের একজন খুচরা ব্যবসায়ী রহিম আলী বলেন, দাম আমরা বাড়াই না। ঢাকার বড় ব্যবসায়ী, যারা বিদেশ থেকে আমদানি করে তারা দাম বাড়ায়। আমরা দাম বাড়াইলে আর কত বাড়ামু? ২ থেকে ৩ টাকা। এতটুকু লাভ না করলে তো আর ব্যবসা চলব না।

অন্যদিকে বাজারের স্থান ভেদে দাম বেশি কম দেখা যায়। বাজারের প্রবেশের মুদির দোকান গুলোতে মশলার দাম, বাজারের ভিতরের দোকানগুলোর তুলনায় বেশি। আবার পাইকারী ও খুচরা দোকানগুলোতেও দামের হেরফের ছিল লক্ষণীয়।

সব খবর
অর্থনীতি বিভাগের সর্বশেষ