সোমবার ১৭ জুন, ২০১৯

‘আশিক পুলিশের চাঁদাবাজির শিকার’ দাবি ছাত্র ফেডারেশনের

বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ২২:৪৮

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ছাত্র ফেডারেশন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সভাপতি ও জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী জোবায়ের রহমান আশিককে ইয়াবাসহ গ্রেফতারের ঘটনা সাজানো ও পুলিশের চাঁদাবাজি বলে দাবি করেছে জেলা ছাত্র ফেডারেশন।

বুধবার (২২ মে) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিবৃতিতে তারা এ দাবি করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রিক্সায় করে তার কর্মস্থলে যাবার সময় আজিবপুর রেললাইন এলাকায় পুলিশ কাজী আশিকের গতিরোধ করে দেহ তল্লাশি করে। এ সময় কাজী আশিকের কাছে কোন প্রকার মাদক দ্রব্য পাওয়া যায় নি। কিন্ত পুলিশ মাদক দ্রব্য পাওয়া গেছে এই অভিযোগে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যেতে চায়। ঘটনাটি সজানো ও বানোয়াট হওয়ায় এলাকাবাসী পুলিশের এই অন্যায় কাজের বিরুদ্ধে কথা বলেন এবং গাড়ি গতিরোধ করে। এ সময় পুলিশের সাধে এলাকাবাসীর ধস্তাধস্তি হয়।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়। পরে ওসির নেতৃত্বে অতিরিক্ত ফোর্স এসে আশিককে থানা নিয়ে যায়। থানায় এনে আশিককে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মাদক গ্রহনের স্বীকারোক্তি আদায় করে এবং সকালে তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা দেয়া হয়।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে নেতৃবৃন্দ দোষী পুলিশ সদস্যদের শাস্তি দাবি করেন। তারা বলেন, ঈদের পূর্বে পুলিশ চাদাঁবাজি করছে। এবং কাজী আশিককের কাছ থেকে চাদা আদায়ের লক্ষ্যে তারা আশিককের গতিরোধ করে আটকায়। এবং এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে পুলিশ বিপদে পড়ে এবং নিজের কাজকে ন্যায্য করার জন্য কাজী আশিকের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা দায়ের করে। আমরা মনে করি, এ ঘটনা কেবল আশিকের সাথে হয়েছে এমন নয়, সিদ্ধিরগঞ্জবাসী দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশের এ চাদাঁবাজির শিকার।

তবে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম মিয়া বলেন, ইয়াবাসহ আটকের পর আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে থানার ওসি স্যারের নেতৃত্বে আমরা অভিযান চালিয়ে আসামিকে ফের গ্রেফতার করি। এ বিষয়ে থানায় মাদক আইনে ও আসামি ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্বজনদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, স্বজনরা তো অনেক অভিযোগই করতে পারে। আসলে তাদের অভিযোগ সত্য নয়। ঘটনাস্থলের ওই রিকশাচালকও সাক্ষী দিয়েছে যে, তার কাছ থেকে ইয়াবা পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা (ডিআইও-২) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, ইয়াবাসহ গ্রেফতারের পর তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে পরে তাকে আবার গ্রেফতার করা হয়। তবে আসামির পরিবারের অভিযোগ এসপি সাহেবের কাছে জানলে এ বিষয়ে তিনি ব্যবস্থা নিবেন।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ