মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯

আবরার হত্যার বিচার দাবিতে নগরীতে ছাত্র জোটের মিছিল-সমাবেশ

মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:০৮

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকালে চাষাঢ়া শহীদ মিনারে এ কর্মসূচী পালন করেন তারা। এ সময় তারা নিহত আবরার ফাহাদ হত্যার দাবি জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জেলা সভাপতি সুলতানা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সভাপতি সুমাইয়া সেতু প্রমুখ।

সুমাইয়া সেতু বলেন, ‘প্রায় প্রতিমাসেই কোনো না কোনো ঘটনায় আমাদের হয় এখানে দাঁড়াতে হয়, নাহলে প্রেসক্লাবের সামনে। আমাদের তখনো দাঁড়াতে হয়েছিল যখন হাফিজুল হত্যা হয়েছিল, অভিজিৎ খুন হয়েছিল, যখন বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের তখনো দাঁড়াতে হয়েছিল যখন নারায়ণগঞ্জের মেধাবী ছাত্র ত্বকীকে হত্যা করা হয়েছিল। আজ আবার সেই লাশের মিছিলে আরেকজনের নাম যুক্ত হলো। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এই লাশের মিছিল ধীরে ধীরে বাড়তেই থাকবে। আমরা সেদিনও বলেছিলাম, আসুন আমরা যদি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে পারি, সেই বিশ্বজিৎ হত্যার বিচার করতে পারি, হাফিজুল হত্যার খুনিদের বিচার করতে পারি। তাহলে আবরার হত্যা হতো না। নুসরাত কিংবা ত্বকীর নাম লাশের মিছিলে যুক্ত হত না।

সুলতানা আক্তার বলেন, ‘প্রতিরাতে ভাবি ঘুম থেকে উঠে আমি ঠিক থাকবো কিনা, আমি বেচে থাকবো কিনা। নাকি ওই সন্ত্রাসী বাহিনীর দ্বারা নির্যাতনের শিকার হবো। আমার কোনো না কোনো ভাই, বোন নির্যাতনের শিকার হবে। সেই আতঙ্ক নিয়ে ভোর হয়। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে দেশের সর্বোচ্চ মেধাবীরা লেখাপড়া করে। যারা আগামী দিনের দেশের ভবিষ্যৎ, অথচ তাদের অবস্থা আজ কি। আবরারকে সন্ধ্যার পর নিয়ে যাওয়া হয়। রাত তিনটায় খবর আসে সে মারা গেছে। যখন আবরারকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিল না, এবং পরে ওর লাশ পাওয়া যায় তখন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে দেয়নি। এমনকি তিনি খোঁজ পর্যন্ত নেননি।

তিনি আরো বলেন, ‘এখনো পর্যন্ত ওই খুনিরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। নাম মাত্র এই সাধারণ সম্পাদক, সহ সম্পাদককে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। আমরা ধিক্কার জানাই এই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে, এই রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে।’

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ